Ad 728x90

Sunday, 13 September 2020

কবিতা : মা ও খোকা -জয়নব জোনাকি

কবিতা : মা ও খোকা -জয়নব জোনাকি


 মা ও খোকা


-জয়নব জোনাকি

তোমায় আমি একটা কথা বলতে চাই আজ মাগো
ভয় করি ফের বললে যদি মান করো বা রাগো!
অভয় দিলাম খোকন আমার নির্ভয়ে তা বলো,
শুনবো আমি তোমার কথা দ্বিনকে করে ফলো।
খুশির ঝিলিক ঢেউ খেলে যায় ছোট্ট খোকার মনে,
কল্পনাতে ঘোড়ার পীঠে ছুট দিয়ে যায় বনে।
বায়না খোকার মাগো তুমি যাবে আমার সাথে?
ক্রিকেট খেলা শিখবো আমি রাতের শেষে প্রাতে।

বাবা আমি পর্দা মানি কেমনে যাবো মাঠে!
গুনাহ হবে অকারণে যাই যদি মা হাটে।
অকারণে নয়তো ওমা শিখবো ক্রিকেট খেলা,
ব্যস্ত থাকে আব্বু আমার কাজে সারা বেলা!

একা গেলে আমার জীবন পড়বে বিপদ মুখে,
তুমিতো মা বন্ধু আপন আমার সুখে দুঃখে।
পর্দা করে ব্যাট হাতে মা গেলো খোকার ডাকে,
ব্যাটে বলে মা আর খোকা চার ছক্কা রান হাঁকে।

মায়ের মত বন্ধু প্রীতম নেই যে পৃথিবীতে
মায়ের অনুপ্রেরণাতে সব খোকারা জিতে।
হৃদয় থেকে হাজার সালাম জানাই আমার মাকে,
তাকে যেন নেক হায়াত দেন মহান আল্লাহ পাকে।
অনুবাদ সহ গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় ইংরেজি বাক্য

অনুবাদ সহ গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় ইংরেজি বাক্য

 


Sayeed Jaman :

এমন কিছু বাক্য আছে যেগুলো বাস্তব জীবনে আমাদের ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু এর সঠিক ইংরেজি আমরা জানি না। আজকে উপস্থাপন করব কতিপয় এসব বাক্য। চলুন শুরু করা যাক-


🔥Could you tell me the time?
– আপনি সময় বলতে পারেন?
🔥Do you know what time it is?
– তুমি কি জানো এখন কত বাজে?
🔥How long have you been waiting?
– কতক্ষন আপনি অপেক্ষা করছেন?
🔥Do you have free time this afternoon?
– আজ বিকেলে কি ফ্রি সময় পাবে?
🔥What time can we meet?
– আমরা কোন সময়ে দেখা করতে পারি?
🔥What should we do to kill time?
– সময় নষ্ঠ করতে আমাদের কী করা উচিত?
🔥It’s ten o’clock. – এটি দশ বাজে.
🔥It’s midnight. – এটা মধ্যরাত.
🔥It’s 6 A.M now. – এখন 6 এএম।
🔥Don’t waste your time doing nothing.
– কিছু না করে আপনার সময় নষ্ট করবেন না।
🔥I didn’t think it was so late.
– আমি ভাবিনি এত দেরি হয়ে গেছে।
🔥We have plenty of time.
– আমাদের প্রচুর সময় আছে।
🔥Give me a little more time.
– আমাকে আর একটু সময় দিন।
🔥It’s time to leave.
– এটা ত্যাগ করার সময়.
🔥It’s almost time to go home.
– বাড়িতে যাওয়ার প্রায় সময় এসেছে।
🔥Time went by so fast.
– সময় এত দ্রুত চলে গেল।
🔥The supermarket opens at 9 a.m.
– সুপারমার্কেটটি সকাল 9 টায় খোলে
🔥The class starts at 8 in the morning.
– ক্লাসটি সকাল আটটায় শুরু হয়।
🔥What’s the time? – এখন ক'টা বাজে?
🔥See you at 8 P.M. – সকাল ৮ টায় দেখা হবে
🔥I can’t tell you exactly what time we will arrive. – আমরা কখন পৌঁছে যাব ঠিক তা বলতে পারি না।
🔥It’s too late now.
– এটা এখন খুব দেরি হয়ে গেছে.
🔥My watch is stopped.
– আমার ঘড়ি বন্ধ আছে।
🔥My watch is slow.
– আমার ঘড়ি ধীর।
ধারাবাহিক গল্পঃ ভুল (১ম পর্ব)

ধারাবাহিক গল্পঃ ভুল (১ম পর্ব)


মাঝরাতে ভাবীর ঘরে গিয়ে ভাবীর কোমরে স্পর্শ করতে ভাবীর শরীর শিরশির করে উঠতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। ভাবী চোখ মেলে চিৎকার করতে যাবে ঠিক তখনই আমি ওর মুখ চেপে ধরি আর বলি-

আমি : ভাবী আমি ধ্রুব চিৎকার করবে না।

ভাবী : ধ্রুব তুই আমার ঘরে তাও এতরাতে বলে ভাবি শোয়া থেকে উঠে কাপড়টা ঠিক করে নেয়।

আমি : ভাবী আমি আর পারছিনা তোমাকে ছাড়া থাকতে জানি আমিও যা চাই তুমিও তা চাও।তোমারও কষ্ট হয় একা একা থাকতে।

ভাবি : ছিঃ ধ্রুব এসব কি বলছিস? তুই কি পাগল হয়ে গেলি? যা এখন-ই এ ঘর থেকে বের হ।

আমি : এমন কেন করছো কেউ জানবে না কেউ বুঝবে না সবাই ঘুমিয়ে আছে। দাও না একটা সুযোগ তোমাকে আদর করার। বলতে ভাবি ঠাস করে একটা চড় মেরে আমায় ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়।


নিজের ঘরে এসে ভাবতে লাগলাম জোর করে কিছু হবেনা যা করার সময় করে সুযোগ বুঝে করতে হবে

ঘুমিয়ে পড়লাম কিন্তু ভাবির চড়টা বারবার যন্ত্রণা দিচ্ছে।তাই এর প্রতিশোধ আমাকে নিতে হবে চোখটা কখন যে লেগে এলো বুঝতে পারিনি।


সকালে ঘুম ভাঙ্গতে দেখি সবাই টেবিলে নাস্তা করছে মা বাবা আর ভাবি। আমি ব্রাশ করতে করতে ভাবির দিকে তাকিয়ে আছি। দেখে মনে হয় এখনও রাগ কমেনি। বাবা হঠাৎ আমায় দেখে বলে-

বাবা : ধ্রুব শোন

আমি : হুম বলো।

বাবা : আমি আর তোর মা আজ নিলার স্বামীর বাড়ি যাবো ফিরতে দেরি হবে দুপুরে ওখানে খাওয়া দাওয়া করবো। তুই বাড়ি থাকিস বৌমাকে একা রেখে যেতে মন চায় না। আমি তো খুশিতে আত্মহারা।

আমি : ও নিয়ে তোমায় ভাবতে হবেনা আমার আজ কোন কাজ সারাদিন বাড়িতে কাটিয়ে দেব।

আম্মু : তাহলে হয়ে গেলো।নিশ্চিন্তে যাওয়া যাবে। আমি হাতমুখ ধুতে গেলাম।মনটাও বড্ড খুশি আজকের সুযোগটা আর হাত ছাড়া করা যাবে না।


সকাল ১০টা বাজতে মা বাবা বেরিয়ে গেলো। এখন বাসায় শুধু আমি আর ভাবি।মা বাবাকে গাড়িতে তুলে দিয়ে এক বন্ধুর সাথে দেখা করে একটা গোপন ক্যামেরা নিলাম। বাসায় এসে দেখি ভাবি তার ঘরে।


তারপর আমি মোবাইলে বসে বসে গেম খেলতে লাগলাম।গেম খেলাটা রেখে উঁকি মেরে দেখি ভাবি রান্নাঘরে রান্না নিয়ে ব্যস্ত এখন।এই সুযোগে আমি গোপন ক্যামেরাটা ভাবির গোসলখানায় লাগিয়ে দিয়ে নিজের ঘরে এসে শুয়ে রইলাম।


মন মানে না তাই রান্না ঘরে গিয়ে ভাবির সাথে ভাব জমাতে চাইলাম কিন্তু হলো না। রান্না ঘরে যেতে ভাবি বলে-

ভাবি : আরে ধ্রুব তুই এখানে কেন আসলি তোকে না বলছি একদম আমার কাছে আসার চেষ্টা করবি না।

আমি : না ভাবি একটু পানি নিতে আসলাম।

ভাবি : ফ্রিজে আছে নিয়ে এখান থেকে চলে যা।

আমি পানির বোতলটা নিয়ে চলে আসলাম। আর মনে মনে ঠিক করলাম তোমার সব দেমাগ আমি আজকে শেষ করে দিব।


অপেক্ষার পর অপেক্ষা বড্ড আফসোস ভাবিকে একা পেয়েও তার কাছে যেতে না পারা। দুপুর হতে ভাবি দরজা এসে ঠকঠক করে।

আমি : কে?

ভাবি : আমি

আমি : দরজাটা খুলে ওহহহহ ভাবি তুমি কি ব্যপার?

ভাবি : টেবিলে খাবার রাখা আছে খেয়ে নিও

আমি : তুমি খাবে না?

ভাবি : তুমি খেয়ে নাও আমি পরে খাবো বলে ভাবি নিজের ঘরে চলে গেলো। 


আমি খাবার খেয়ে ছাদে গিয়ে সিগারেট টানতে লাগলাম। সিগারেট টানতে টানতে দেখি ভাবি আসলো তার কাপড় গুলো শুকাতে।


চলবে....

Friday, 11 September 2020

হাসির ঢেউ

হাসির ঢেউ



প্রাইভেট টিচার বার বার মেয়েটার হাত ধরছিলো।

মেয়েটা বিরক্ত হয়ে স্যার কে বললো আপনি বার বার আমার হাত কেনো ধরছেন?

টিচার বললো পাঁচ বার আমি তোমার হাত ধরেছি। তার মানে তুমিও পাঁচ বার আমার হাত ধরেছো।


৫+৫= কতো হয়? উত্তরঃ ১০।

টিচার এটাকে যোগ বলে।

পাঁচ বার তুমি হাত ছাড়িয়ে নিয়েছো

১০-৫= কতো হয়? উত্তরঃ ৫।

টিচারঃ এটাকে বিয়োগ বলে।

পাঁচ বার তুমি বিরক্ত হয়েছো।

৫×৫= কতো হয়? উত্তরঃ ২৫।

টিচারঃ এটাকে গুন বলে।


এতক্ষণ দরজার ওপাশ থেকে মেয়েটির বাবা সব শুনে ভিতরে এসে এক লাথি মেরে টিচার কে ফেলে দিয়ে বললো এটাকে ÷ (ভাগ) বলে।

আত্ম উপলব্ধি -আফরিন সাদাত

আত্ম উপলব্ধি -আফরিন সাদাত

 


বাসের মধ্যে আমার পাশের সিটে একজন লুঙ্গি পরা লোক এসে বসলেন। দেখেই কেমন যেনো লাগতেছিলো! কারন উনার গা থেকে তীব্র একটা ঘামের গন্ধ আসছিলো। আমার জায়গায় আপনি থাকলেও কিছুটা অস্বস্তি লাগতো। কেমন যেনো দেখতে অপরিষ্কার, আর ঘামে ভিজে চুপচুপা আলাভোলা কিছিমের মানুষ উনি।


আমার মাথায় বারবার কাজ করছিলো যে, প্যান্ট শার্ট পরা ভদ্রলোকেরাই বাসে উঠলে মেয়েদের গুতা মারে, উনি না জানি কি করে। আলাভোলা বলার কারন, বাসে যে কোন মুরুব্বি ঢকের মানুষ উঠে উনার পাশ  কাটিয়ে গেলেই উনি তাকে সালাম দিচ্ছিলেন। এই বৈশিষ্ট্যটা অবশ্য আমার জড়তা অনেকাংশেই কমিয়ে দিচ্ছিলো।


প্রথমে ভেবেছিলাম উনি হয়তো চিনেই সালাম দিচ্ছেন কিন্তু পরে বুঝলাম উনি না চিনে এমনিতেই দিচ্ছেন! এক মুহুর্তের জন্য আমি ইসলাম ভুলে গেলেও উনি ভুলেনি দেখে মনে মনে লজ্জিত হলাম।কারণ সালাম দেয়া আমারও দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।


আমি খুবই অবাক দৃষ্টি নিয়ে উনার কান্ড কারখানা দেখছিলাম, হঠাৎই খেয়াল করলাম উনি আমার সাথে যথেষ্ট গ্যাপ দিয়েই বসে আছেন। আর আমার গায়ের সাথে যেন তার হাতও না লাগে সেজন্য অনেকটাই কাঁচুমাচু হয়ে আছেন। এইবার আমার মায়া হলো!


আমিঃ আঙ্কেল আপনিতো পড়ে যাচ্ছেন। এদিকে চেপে বসেন!

-না মা, আমি এভাবেই বসি। কথা তার যথেষ্ট শুদ্ধ এবং মার্জিত।

-আজকাল এভাবে কেউ বসেনা, দেখা যায় কুনি মারতে মারতে বাসের জানালা দিয়ে ফেলে দেয়।

- কি দরকার এসবের, এগুলি ভুল, জীবন কিছুই না।২ দিনের। আমরাও মেয়ে আছে বৌ আছে। আজকে আমি কারো মেয়ের সাথে কিছু করলে, কেউ আমার মেয়ের সাথে করবে!

-আপনি খুব ভালো আঙ্কেল,  এমন খুব কমই দেখা যায়।


-সেদিন আমার বৌ বলছিলো যে, তাকে নাকি বাসে একজন নিজের সিট ছেড়ে দিয়ে উঠে, তাকে বসতে দিছে। তো আমি তাকে বললাম, আমি মানুষের বৌ মেয়েকে সম্মান করি বলেই তোমাকও কেউ একজন সম্মান করেছে। প্রতিফল আজ না হয় কাল পাওয়াই যায়।ভালোর প্রতিফল ভালো হয়, আর মন্দের সাথে মন্দ।

-আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠলাম।


-আমি সবজি বিক্রি করি মা, আমার একটা মেয়ে আছে নাম সালমা, আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি।উনার নেমে যাওয়ার সময় হয়ে এলো।

উনে নেমে যাওয়ার সময় আমিও উনাকে সালাম দিলাম!


উনার মধ্যে স্মার্টনেসের "স" না থাকলেও সভ্যতার "স" ঠিকই আছে। সত্যিকারের স্মার্ট তো উনিই।হেটস অফ আঙ্কেল।

নিজের চিন্তা ভাবনার জন্য মনে মনে প্রচন্ড লজ্জিত ও অনুতপ্ত হলাম।


অভিমানী বউ

অভিমানী বউ


পরশু রাতে বউয়ের সাথে তুমুল ঝগড়া করেছি!তাকে বলেছি, "তুমি যদি মানুষের বাচ্চা হও তাহলে আমার সাথে কথা বলবে না। "ব্যাস! কাজ হয়েছে, আর কথা বলে না। শুধু রাগে ফোলে। সারারাত নাক টেনে কান্না করছে। না নিজে ঘুমাচ্ছে না আমাকে ঘুমাতে দিচ্ছে।

সকালে খেতে বসে দেখি আজব কান্ড,আমার খাওয়ার পাশে খাতা কলম রাখা।বললাম,"এগুলা কি?"


বউ তার খাতায় কি জানি লিখলো।

তারপর আমাকে দেখালো, আমি পড়লাম। লেখা আছে, "আমি মানুষের বাচ্চা, তাই কোনো কথা নাই"

আজব কাহিনি। যাইহোক, সে নিজে আমাকে মাংস দিলো ৩ পিস। আমি খাতায় লিখলাম, "২ পিস দাও" খাওয়ার মাঝে লিখলাম, "পানি দাও"।


রাতে ঘুমানোর আগে আমি শুয়ে আছি। সে গুন গুন করে গান গাইছে আর চুল আঁচড়াচ্ছে। কি চমৎকার দৃশ্য!


আমি খাতায় খস খস করে লিখলাম, "আগামিকাল সকাল ৮ টায় আমার অফিসে একটা জরুরী মিটিং আছে,সকাল ৭ টায় ডেকে দিও।" চিঠিটা বউয়ের হাতে দিয়ে আমি ঘুমিয়ে গেলাম।


ঘুম থেকে উঠে দেখি ৯টা ৩৫। চিৎকার দিয়ে উঠে বসছি।এইটা কি......? পাশ ফিরে দেখি বউ নাই।বউয়ের এর জায়গায় একটা চিঠি। তড়িঘড়ি করে খুলে দেখি একটা লেখা, "ওগো শুনছো, সকাল সাড়ে ৭টা বাজে প্লিজ উঠো, তোমার দেরি হয়ে যাচ্ছে"

ঘরোয়া উপায়ে গোলাপি ঠোঁট

ঘরোয়া উপায়ে গোলাপি ঠোঁট


সানজিদা আক্তার শান্তাঃ
নজরকাড়া গোলাপি ঠোঁট বেশ আকর্ষণীয়। টুকটুকে সুন্দর গোলাপি ঠোঁট সবার নজর কাড়ে।  সবাই চান, সুন্দর ঠোঁট পেতে। ইদানীং পাউট করে ছবি তোলা ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর পাউট করার জন্য সুন্দর ঠোঁটের কোনো বিকল্প নেই। 

লিপস্টিক বা কোনোপ্রকার প্রসাধনী ছাড়াই অনেকে সুন্দর গোলাপি ঠোঁট পেতে চান। কিন্তু কোনোপ্রকার প্রসাধনী ছাড়া কীভাবে এটি সম্ভব, তা জানা নেই অনেকেরই। চলুন, ঘরোয়া উপায়ে স্থায়ীভাবে নজরকাড়া সুন্দর গোলাপি ঠোঁট পাওয়ার উপায় জেনে নেওয়া যাক।

ঘরোয়া উপায়ে যা করতে পারেনঃ
♠♠ একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যের ফলে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জবল করতে সাহায্য করে।

♠♠ মধুর সাথে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।

♠♠ ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক এ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।

♠♠ গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষনীয়।

♠♠ লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘন্টা পর ধুয়ে নিন।

♠♠ লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।

♠♠ বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রন করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না, কোমলতাও বাড়াবে।

♠♠ ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।

♠♠ কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।

♠♠প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।

♠♠ শশার রসও ঠোঁটের কালো হওয়কে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন।

যা যা মনে রাখবেনঃ
♠♠ ধুমপান ঠোঁটের জন্যে ক্ষতিকর। তাই ধুমপান থেকে বিরত থাকুন।

♠♠ রাতে ঘুমাতে যাবার আগে লিপস্টিক তুলে ফেলতে ভুলবেননা।

♠♠ জিহ্বা দিয়ে অবিরত ঠোঁট ভেজানো বন্ধ করুন। এতে সাময়িক আরাম মিললেও আসলে ঠোঁটের সৌন্দর্য হানি হয়। বদলে ব্যবহার করুন লিপজেল।

♠♠ ফাস্টফুডের পরিবর্তে শাক-সব্জী খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান।

♠♠ চা এবং কফির পরিবর্তে পানি খাবার পরিমাণ বাড়ান। প্রচুর পরিমাণে পানি আপনার ঠোঁটকে রাখতে পারে সুস্থ ও স্বাভাবিক। 

ঘরোয়া লিপবামঃ
 ♠♠ গোলাপি ঠোঁটের জন্য ঘরোয়া উপায়েই তৈরি করা যায় লিপবাম। দুই চামচ পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে এক চামচ স্ট্রবেরি মিশিয়ে একটি লিপবাম তৈরি করা যেতে পারে। প্রতিদিনের ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে।