Sunday, 13 September 2020
অনুবাদ সহ গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় ইংরেজি বাক্য
Sayeed Jaman :
এমন কিছু বাক্য আছে যেগুলো বাস্তব জীবনে আমাদের ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু এর সঠিক ইংরেজি আমরা জানি না। আজকে উপস্থাপন করব কতিপয় এসব বাক্য। চলুন শুরু করা যাক-
ধারাবাহিক গল্পঃ ভুল (১ম পর্ব)
মাঝরাতে ভাবীর ঘরে গিয়ে ভাবীর কোমরে স্পর্শ করতে ভাবীর শরীর শিরশির করে উঠতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। ভাবী চোখ মেলে চিৎকার করতে যাবে ঠিক তখনই আমি ওর মুখ চেপে ধরি আর বলি-
আমি : ভাবী আমি ধ্রুব চিৎকার করবে না।
ভাবী : ধ্রুব তুই আমার ঘরে তাও এতরাতে বলে ভাবি শোয়া থেকে উঠে কাপড়টা ঠিক করে নেয়।
আমি : ভাবী আমি আর পারছিনা তোমাকে ছাড়া থাকতে জানি আমিও যা চাই তুমিও তা চাও।তোমারও কষ্ট হয় একা একা থাকতে।
ভাবি : ছিঃ ধ্রুব এসব কি বলছিস? তুই কি পাগল হয়ে গেলি? যা এখন-ই এ ঘর থেকে বের হ।
আমি : এমন কেন করছো কেউ জানবে না কেউ বুঝবে না সবাই ঘুমিয়ে আছে। দাও না একটা সুযোগ তোমাকে আদর করার। বলতে ভাবি ঠাস করে একটা চড় মেরে আমায় ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়।
নিজের ঘরে এসে ভাবতে লাগলাম জোর করে কিছু হবেনা যা করার সময় করে সুযোগ বুঝে করতে হবে
ঘুমিয়ে পড়লাম কিন্তু ভাবির চড়টা বারবার যন্ত্রণা দিচ্ছে।তাই এর প্রতিশোধ আমাকে নিতে হবে চোখটা কখন যে লেগে এলো বুঝতে পারিনি।
সকালে ঘুম ভাঙ্গতে দেখি সবাই টেবিলে নাস্তা করছে মা বাবা আর ভাবি। আমি ব্রাশ করতে করতে ভাবির দিকে তাকিয়ে আছি। দেখে মনে হয় এখনও রাগ কমেনি। বাবা হঠাৎ আমায় দেখে বলে-
বাবা : ধ্রুব শোন
আমি : হুম বলো।
বাবা : আমি আর তোর মা আজ নিলার স্বামীর বাড়ি যাবো ফিরতে দেরি হবে দুপুরে ওখানে খাওয়া দাওয়া করবো। তুই বাড়ি থাকিস বৌমাকে একা রেখে যেতে মন চায় না। আমি তো খুশিতে আত্মহারা।
আমি : ও নিয়ে তোমায় ভাবতে হবেনা আমার আজ কোন কাজ সারাদিন বাড়িতে কাটিয়ে দেব।
আম্মু : তাহলে হয়ে গেলো।নিশ্চিন্তে যাওয়া যাবে। আমি হাতমুখ ধুতে গেলাম।মনটাও বড্ড খুশি আজকের সুযোগটা আর হাত ছাড়া করা যাবে না।
সকাল ১০টা বাজতে মা বাবা বেরিয়ে গেলো। এখন বাসায় শুধু আমি আর ভাবি।মা বাবাকে গাড়িতে তুলে দিয়ে এক বন্ধুর সাথে দেখা করে একটা গোপন ক্যামেরা নিলাম। বাসায় এসে দেখি ভাবি তার ঘরে।
তারপর আমি মোবাইলে বসে বসে গেম খেলতে লাগলাম।গেম খেলাটা রেখে উঁকি মেরে দেখি ভাবি রান্নাঘরে রান্না নিয়ে ব্যস্ত এখন।এই সুযোগে আমি গোপন ক্যামেরাটা ভাবির গোসলখানায় লাগিয়ে দিয়ে নিজের ঘরে এসে শুয়ে রইলাম।
মন মানে না তাই রান্না ঘরে গিয়ে ভাবির সাথে ভাব জমাতে চাইলাম কিন্তু হলো না। রান্না ঘরে যেতে ভাবি বলে-
ভাবি : আরে ধ্রুব তুই এখানে কেন আসলি তোকে না বলছি একদম আমার কাছে আসার চেষ্টা করবি না।
আমি : না ভাবি একটু পানি নিতে আসলাম।
ভাবি : ফ্রিজে আছে নিয়ে এখান থেকে চলে যা।
আমি পানির বোতলটা নিয়ে চলে আসলাম। আর মনে মনে ঠিক করলাম তোমার সব দেমাগ আমি আজকে শেষ করে দিব।
অপেক্ষার পর অপেক্ষা বড্ড আফসোস ভাবিকে একা পেয়েও তার কাছে যেতে না পারা। দুপুর হতে ভাবি দরজা এসে ঠকঠক করে।
আমি : কে?
ভাবি : আমি
আমি : দরজাটা খুলে ওহহহহ ভাবি তুমি কি ব্যপার?
ভাবি : টেবিলে খাবার রাখা আছে খেয়ে নিও
আমি : তুমি খাবে না?
ভাবি : তুমি খেয়ে নাও আমি পরে খাবো বলে ভাবি নিজের ঘরে চলে গেলো।
আমি খাবার খেয়ে ছাদে গিয়ে সিগারেট টানতে লাগলাম। সিগারেট টানতে টানতে দেখি ভাবি আসলো তার কাপড় গুলো শুকাতে।
চলবে....
Friday, 11 September 2020
হাসির ঢেউ
![]() |
প্রাইভেট টিচার বার বার মেয়েটার হাত ধরছিলো।
মেয়েটা বিরক্ত হয়ে স্যার কে বললো আপনি বার বার আমার হাত কেনো ধরছেন?
টিচার বললো পাঁচ বার আমি তোমার হাত ধরেছি। তার মানে তুমিও পাঁচ বার আমার হাত ধরেছো।
৫+৫= কতো হয়? উত্তরঃ ১০।
টিচার এটাকে যোগ বলে।
পাঁচ বার তুমি হাত ছাড়িয়ে নিয়েছো
১০-৫= কতো হয়? উত্তরঃ ৫।
টিচারঃ এটাকে বিয়োগ বলে।
পাঁচ বার তুমি বিরক্ত হয়েছো।
৫×৫= কতো হয়? উত্তরঃ ২৫।
টিচারঃ এটাকে গুন বলে।
এতক্ষণ দরজার ওপাশ থেকে মেয়েটির বাবা সব শুনে ভিতরে এসে এক লাথি মেরে টিচার কে ফেলে দিয়ে বললো এটাকে ÷ (ভাগ) বলে।
আত্ম উপলব্ধি -আফরিন সাদাত
বাসের মধ্যে আমার পাশের সিটে একজন লুঙ্গি পরা লোক এসে বসলেন। দেখেই কেমন যেনো লাগতেছিলো! কারন উনার গা থেকে তীব্র একটা ঘামের গন্ধ আসছিলো। আমার জায়গায় আপনি থাকলেও কিছুটা অস্বস্তি লাগতো। কেমন যেনো দেখতে অপরিষ্কার, আর ঘামে ভিজে চুপচুপা আলাভোলা কিছিমের মানুষ উনি।
আমার মাথায় বারবার কাজ করছিলো যে, প্যান্ট শার্ট পরা ভদ্রলোকেরাই বাসে উঠলে মেয়েদের গুতা মারে, উনি না জানি কি করে। আলাভোলা বলার কারন, বাসে যে কোন মুরুব্বি ঢকের মানুষ উঠে উনার পাশ কাটিয়ে গেলেই উনি তাকে সালাম দিচ্ছিলেন। এই বৈশিষ্ট্যটা অবশ্য আমার জড়তা অনেকাংশেই কমিয়ে দিচ্ছিলো।
প্রথমে ভেবেছিলাম উনি হয়তো চিনেই সালাম দিচ্ছেন কিন্তু পরে বুঝলাম উনি না চিনে এমনিতেই দিচ্ছেন! এক মুহুর্তের জন্য আমি ইসলাম ভুলে গেলেও উনি ভুলেনি দেখে মনে মনে লজ্জিত হলাম।কারণ সালাম দেয়া আমারও দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।
আমি খুবই অবাক দৃষ্টি নিয়ে উনার কান্ড কারখানা দেখছিলাম, হঠাৎই খেয়াল করলাম উনি আমার সাথে যথেষ্ট গ্যাপ দিয়েই বসে আছেন। আর আমার গায়ের সাথে যেন তার হাতও না লাগে সেজন্য অনেকটাই কাঁচুমাচু হয়ে আছেন। এইবার আমার মায়া হলো!
আমিঃ আঙ্কেল আপনিতো পড়ে যাচ্ছেন। এদিকে চেপে বসেন!
-না মা, আমি এভাবেই বসি। কথা তার যথেষ্ট শুদ্ধ এবং মার্জিত।
-আজকাল এভাবে কেউ বসেনা, দেখা যায় কুনি মারতে মারতে বাসের জানালা দিয়ে ফেলে দেয়।
- কি দরকার এসবের, এগুলি ভুল, জীবন কিছুই না।২ দিনের। আমরাও মেয়ে আছে বৌ আছে। আজকে আমি কারো মেয়ের সাথে কিছু করলে, কেউ আমার মেয়ের সাথে করবে!
-আপনি খুব ভালো আঙ্কেল, এমন খুব কমই দেখা যায়।
-সেদিন আমার বৌ বলছিলো যে, তাকে নাকি বাসে একজন নিজের সিট ছেড়ে দিয়ে উঠে, তাকে বসতে দিছে। তো আমি তাকে বললাম, আমি মানুষের বৌ মেয়েকে সম্মান করি বলেই তোমাকও কেউ একজন সম্মান করেছে। প্রতিফল আজ না হয় কাল পাওয়াই যায়।ভালোর প্রতিফল ভালো হয়, আর মন্দের সাথে মন্দ।
-আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠলাম।
-আমি সবজি বিক্রি করি মা, আমার একটা মেয়ে আছে নাম সালমা, আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি।উনার নেমে যাওয়ার সময় হয়ে এলো।
উনে নেমে যাওয়ার সময় আমিও উনাকে সালাম দিলাম!
উনার মধ্যে স্মার্টনেসের "স" না থাকলেও সভ্যতার "স" ঠিকই আছে। সত্যিকারের স্মার্ট তো উনিই।হেটস অফ আঙ্কেল।
নিজের চিন্তা ভাবনার জন্য মনে মনে প্রচন্ড লজ্জিত ও অনুতপ্ত হলাম।
অভিমানী বউ
সকালে খেতে বসে দেখি আজব কান্ড,আমার খাওয়ার পাশে খাতা কলম রাখা।বললাম,"এগুলা কি?"
বউ তার খাতায় কি জানি লিখলো।
তারপর আমাকে দেখালো, আমি পড়লাম। লেখা আছে, "আমি মানুষের বাচ্চা, তাই কোনো কথা নাই"
আজব কাহিনি। যাইহোক, সে নিজে আমাকে মাংস দিলো ৩ পিস। আমি খাতায় লিখলাম, "২ পিস দাও" খাওয়ার মাঝে লিখলাম, "পানি দাও"।
রাতে ঘুমানোর আগে আমি শুয়ে আছি। সে গুন গুন করে গান গাইছে আর চুল আঁচড়াচ্ছে। কি চমৎকার দৃশ্য!
আমি খাতায় খস খস করে লিখলাম, "আগামিকাল সকাল ৮ টায় আমার অফিসে একটা জরুরী মিটিং আছে,সকাল ৭ টায় ডেকে দিও।" চিঠিটা বউয়ের হাতে দিয়ে আমি ঘুমিয়ে গেলাম।
ঘুম থেকে উঠে দেখি ৯টা ৩৫। চিৎকার দিয়ে উঠে বসছি।এইটা কি......? পাশ ফিরে দেখি বউ নাই।বউয়ের এর জায়গায় একটা চিঠি। তড়িঘড়ি করে খুলে দেখি একটা লেখা, "ওগো শুনছো, সকাল সাড়ে ৭টা বাজে প্লিজ উঠো, তোমার দেরি হয়ে যাচ্ছে"